Home / খেলাধুলা / ১১ বছর আগের সেই স্মৃতি টেনে এনে ভারতকে আজমলের খোঁচা

১১ বছর আগের সেই স্মৃতি টেনে এনে ভারতকে আজমলের খোঁচা

২০১১ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান শচিনের বিরুদ্ধে বল করছিলেন সাঈদ আজমল। তার বলে শচিন স্পষ্ট এলবিডব্লিউ হয়েছিলেন। আম্পায়ারও আঙুল তুলে জানিয়েছিলেন এটি সরাসরি এলবিডব্লিউ। কিন্তু ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ নেন টেন্ডুলকার।

এতে তিনি সফল হন। কিন্তু ওই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি সাঈদ আজমল। আজও তিনি মনে করেন শচিন তার বলে আউট হয়েছিলেন সেদিন। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির কারণে বেঁচে গিয়েছিলেন ভারতের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান।

ঠিক একই কারণ ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনে। ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার তৃতীয় টেস্টের তৃতীয় দিনে ডিন এলগারের এক বিতর্কিত রিভিউ নিয়ে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটেছে। আপত দৃষ্টিতে অশ্বিনের বলে ডিন এলগার স্পষ্ট এলবিডব্লু বয়েছেন বলে মনে হলেও রিভিউতে বল স্টাম্পের উপর দিয়ে যাচ্ছে বলে দেখা যায়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক হচ্ছে। আম্পায়ার থেকে টিম ইন্ডিয়া সদস্য, কেউই এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৈয়দ আজমল।

পাকিস্তানের জাদুকরী স্পিনার সাঈদ আজমল বলেন, যখন ২০১১ বিশ্বকাপে শচিন টেন্ডুলকরের আউটটা রিভিউ করায় পরিবর্তিত হয়েছিল, তখন আমায় প্রযুক্তির ওপর ভরসা রাখতে বলা হয়।

প্রযুক্তি যে নির্ভুল, সেকথাও জানানো হয়। আজকে ওই লোকেরাই (ভারত) আবার পাল্টি খেয়ে বলছে যে, প্রযুক্তিতে ত্রুটি রয়েছে এবং তা ভরসাযোগ্য নয়।’ দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনের ময়দানে এলগার যে স্পষ্ট আউট ছিলেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত আজমল।

এই নিয়ে পাকিস্তানের সাবেক মায়াবী স্পিনার বলেন, যার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে, একমাত্র সেই বোঝে। আমি ডিন এলগারের রিভিউটা কয়েকবার দেখেছি এবং কোনোভাবেই ওই বলটা উইকেটের উপর দিয়ে যেতে পারে না। বলটাতো নি-রোলে লাগে এবং ও আউট ছিল।

এমন একটা নিশ্চিত আউটের সিদ্ধান্ত বিরুদ্ধে গেলে একমাত্র তখন বোঝা যায় এগুলো মেনে নেওয়া কতটা কঠিন। ঠিক আজকে যেমন অশ্বিনের বলটা উইকেটে লাগত, তেমন করেই কোনোভাবে ২০১১ বিশ্বকাপে শচিনকে করা আমার বলটাও উইকেটের মধ্যেই ছিল।

Check Also

বিদেশিরা পারফর্ম করা নিয়ে যা বললেন সালাউদ্দিন

বিপিএলের মূল আকর্ষণই বিদেশি খেলোয়াড়রা। আসলে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট মানেই তো বিদেশিদের আনাগোনা, চার-ছক্কায় মাঠ গরম …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *