Home / খেলাধুলা / পরিত্যক্ত হওয়ার পথে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের অহম চূর্ণ করার মাঠ

পরিত্যক্ত হওয়ার পথে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের অহম চূর্ণ করার মাঠ

আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম সংস্কারের কাজ। যদিও আউটারের জলাবদ্ধতা নিরসনে এরই মধ্যে বুয়েট কর্তৃক একটি প্রোজেক্ট প্রোফাইল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে জমা দিয়েছে বিসিবি।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বলছে, ডিপিপি প্রস্তুত হওয়ার পরই অর্থ আর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে কাছে প্রকল্প জমা দেবেন তারা। তারপরই উঠবে একনেকে। তবে স্টেডিয়াম সংস্কারে বিসিবির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

সরকারি কাজের দীর্ঘসূত্রতায় নষ্ট হচ্ছে শতকোটি টাকার সরকারি সম্পদ। মাস যায় বছর পেরোয়, টিভি পত্রিকায় দফায় দফায় রিপোর্টও হয়। তবুও কপাল খোলে না দুর্ভাগা ফতুল্লা স্টেডিয়ামের। এ যেন ময়লার স্তূপ, এক পরিত্যক্ত ভাগাড়।

অর্ধযুগের বেশি পেরিয়েছে এখানো বন্ধ আছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। মূলমাঠে প্রবেশের পথে পাওয়া যাবে গ্রামবাংলার বাঁশের সাঁকো। অথচ এই মাঠে মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার-নিউজিল্যান্ডের অহম হয়েছিল চূর্ণ। সেখানেই এখন বাতাসে দোলখায় কচুরিপানা।

যদিও বসে নেই বিসিবি। মাঠের সংকট কাটাতে নিজ খরচে বুয়েট থেকে বিশেষ প্রোজেক্ট প্রোফাইল বানিয়ে তা জমা দেয়া হয়েছে এনএসির কাছে। বিসিবি গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান, মাহবুব আনাম বলেন, ‘এনএসসি জানিয়েছে যে, এনএসসি ও বিসিবি মিলে ওই ভেন্যুতে আমরা পরিদর্শনে যাব।

যাওয়ার পরে এনএসসি এটা একনেকে পরিকল্পনাটা পাশ করিয়ে, বাজেট পাশ করিয়ে স্টেডিয়াম রক্ষণাবেক্ষণের কাজটা হবে। আপনারা জানেন, সরকারি পর্যায়ে এটার অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে হবে এবং অন্যান্য ব্যবস্থাও। তবে আমাদের পক্ষ থেকে আমরা যেটা করেছি, ইঞ্জিনিয়ারিং সলিউশনটা করে দিয়েছি।’

দীর্ঘসূত্রতার কথা স্বীকার করেছে মন্ত্রণালয়ও। এখানে তারা যেন অনেকটা অসহায়। তবে প্রতিমন্ত্রী বলছেন বরাদ্দ পেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই শুরু করা হবে কাজ। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, ‘ডিএনডি বাঁধের মধ্যে কিন্তু এই স্টেডিয়ামটা পড়েছে।

যেহেতু টাকার ব্যাপার, টাকাটা তো আমরা দিতে পারব না। আমাদের কাছে তো বরাদ্দও থাকে না। এটা অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের যৌথ সমন্বয়ে দেবে। তবে আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। ডিপিপি প্রস্তুত করে আমরা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জমা দেব।

আশা করি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ‘পিইসি’ শেষ হলে এবং ভবিষ্যতে অর্থ মন্ত্রণালয় অনুমোদন দেওয়ার পর এটি একনেকে উঠবে, প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনসাপেক্ষে আমরা এটার কাজ শুরু করব।’ তবে, এর আগেও দুপক্ষ থেকেই এমন আশ্বাস মিলেছিল বহুবারই।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা আর দেখেনি আলোর মুখ। ক্রিকেটসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি বছরের মধ্যে এই স্টেডিয়াম সংস্কারকাজ শুরু করা না গেলে, আউটারের পাশাপাশি মূল মাঠও হয়ে যাবে পুরোপুরি পরিত্যক্ত।

Check Also

সাকিব ভাই এসেছে, টিম পরিপূর্ণ: মিরাজ

আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.