Home / খেলাধুলা / টি-টোয়েন্টি জিততে পাওয়ার হিটার বানাতে যে উদ্যোগ বিসিবির

টি-টোয়েন্টি জিততে পাওয়ার হিটার বানাতে যে উদ্যোগ বিসিবির

সাদা বলের ৫০ ওভারের সংস্করণে বাংলাদেশ নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দিয়েছে। তবে সাদা বলের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ হতাশ করেছে বারবার। টেস্টের মতোই এই সংস্করণেও টাইগারদের পারফরম্যান্স বড্ড ধূসর। যার পেছনে প্রধান কারণ পাওয়ার হিটারের অভাব।

সবশেষ জিম্বাবুয়ে সিরিজেও যার প্রতিফলন দেখা গেছে। র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশকে হারিয়েছে অনায়াসে। তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পাওয়ার হিটারের অভাব দূর করতে পরিকল্পনা নিচ্ছে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটকে বলা হয় চার-ছক্কার ধুন্ধুমার ক্রিকেট। বর্তমান সময়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় এ ক্রিকেটকেই ধরা হচ্ছে সাদা বলের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ। ওয়ানডে ক্রিকেট যেখানে মরে যাচ্ছে, সেখানে ওয়ানডেতে নিজেদের প্রস্তুত করে তুলতে পারলেও টি-টোয়েন্টির চাহিদার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে ব্যর্থ টাইগাররা।

পাওয়ার হিটারের অভাব টাইগারদের পিছিয়ে দিচ্ছে লড়াইয়ে। সবশেষ জিম্বাবুয়ে সফরেই টি-টোয়েন্টিতে ব্যাটিং স্বর্গে যেখানে র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা জিম্বাবুয়েও ২০০ রান পার করেছে সেখানে তিন ম্যাচের এক ইনিংসেও ২০০ বা ততোধিক রান করতে পারেনি সোহান-রিয়াদরা। তাই এবার নড়েচড়ে বসছে বিসিবি।

পাওয়ার হিটিংয়ে খেলোয়াড়দের দক্ষ করে তুলতে নতুন করে পরিকল্পনা করছে বোর্ড। যার অংশ হিসেবে অন্তত ৫জন ব্যাটারকে পাওয়ার হিটার হিসেবে গড়ে তুলতে চায় বিসিবি। টি-টোয়েন্টিতে ম্লান পারফরম্যান্সের পর অসহায়ত্ব ফুটে উঠল ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুসের কণ্ঠে।

টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের দুর্বল দল হিসেবে স্বীকার করে নিয়ে দিলেন ঘুরে দাঁড়ানোর আশ্বাস। তিনি বলেন, ‘আমরা স্বীকার করে নিয়েছি টি-টোয়েন্টিতে আমরা ভালো না। এটা স্বীকার করে নিয়েছি বলেউই তো দলে কিছু রদবদল করেছি।

এটা ভালোর জন্যই করা, ইতিবাচক ভাবনা থেকে। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ীই বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলাম। হয়তো যাদের নিয়ে চিন্তা করেছি ওরা ওরকম ফলাফল এনে দিতে পারেনি। আমরা কিন্তু হতাশ না। আমরা ইনশাআল্লাহ ঘুরে দাঁড়াব।’

টি-টোয়েন্টির চাহিদা পূরণে নতুন খেলোয়াড় তুলে আনার পাশাপাশি খেলোয়াড়দের পাওয়ার হিটিংয়ে অভ্যস্ত করে তুলতে পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে বিসিবি। জালাল ইউনুস বলেন, ‘ওদের আরও আপ-টু-ডেট করতে হবে। বেশি করে প্র্যাকটিস করাতে হবে। জিম্বাবুয়ের খেলোয়াড়দের দেখুন কীভাবে টি-টোয়েন্টি খেলছে, অনেক আক্রমণাত্মক ছিল।

আমরা চাই আমাদের দলে অন্তত ৫ জন পাওয়ার হিটিং খেলোয়াড় থাকবে যারা পাওয়ারফুল শট খেলতে পারে। হুট করে অবশ্য একজনকে এমন বানাতে পারবেন না। যাদের মধ্যে আগে থেকেই এমন শট খেলার প্রবণতা আছে, তাদের আরও ট্রেইনিং দিয়ে ওই পর্যায়ের খেলোয়াড় বানানো হবে।’

Check Also

ত্রিদেশীয় সিরিজে ওপেনিংয়ে শান্ত!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির শেষ সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম …

Leave a Reply

Your email address will not be published.